বাংলাদেশে স্বর্ণ বা জুয়েলারি ব্যবসা শুরু করতে চাইলে শুধু দোকান ভাড়া নিয়ে ব্যবসা শুরু করলেই হয় না। ব্যবসার ধরন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন ও লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হয়। বিশেষ করে স্বর্ণের দোকানের ব্যবসার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট লাইসেন্স, ট্রেড লাইসেন্স, করসংক্রান্ত কাগজপত্র এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় নথি আগে থেকেই প্রস্তুত রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
বর্তমানে নির্দিষ্ট কিছু সরকারি সেবা অনলাইনে myGov প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। স্বর্ণ বা জুয়েলারি ব্যবসার জন্য প্রযোজ্য লাইসেন্সের আবেদনও myGov-এর নির্দিষ্ট সেবা পেজ থেকে করা যায়।
এই গাইডে স্বর্ণের দোকানের লাইসেন্স ২০২৬ নিয়ে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো সহজ ভাষায় তুলে ধরা হলো—আবেদন কোথায় করবেন, কী কী কাগজ লাগবে, ফি ও অন্যান্য খরচ কত, এ-চালান কীভাবে যুক্ত করতে হয় এবং আবেদন জমা দেওয়ার পর কী করবেন।
স্বর্ণের দোকানের লাইসেন্স কী?
স্বর্ণের দোকানের লাইসেন্স বলতে স্বর্ণ বা জুয়েলারি ব্যবসার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নেওয়া প্রয়োজনীয় অনুমোদনকে বোঝানো হয়। ব্যবসার প্রকৃতি ও অবস্থান অনুযায়ী একাধিক সরকারি কাগজপত্র বা অনুমোদনের প্রয়োজন হতে পারে।
অনেকেই মনে করেন শুধু ট্রেড লাইসেন্স থাকলেই স্বর্ণের ব্যবসা করা যায়। বাস্তবে জুয়েলারি ব্যবসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য অন্যান্য সরকারি নিয়ম ও লাইসেন্সের বিষয়টিও বিবেচনা করতে হয়। তাই ব্যবসা শুরুর আগে প্রয়োজনীয় অনুমোদন সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা ভালো।
২০২৬ সালে স্বর্ণের দোকানের লাইসেন্সের আবেদন কোথায় করবেন?
স্বর্ণ বা জুয়েলারি লাইসেন্সের জন্য myGov প্ল্যাটফর্মে সংশ্লিষ্ট সরকারি সেবা চালু রয়েছে। সেবাটির নাম “স্বর্ণ (জুয়েলারী) লাইসেন্স প্রাপ্তির আবেদন”।
আবেদন করার জন্য myGov-এর সংশ্লিষ্ট সেবা পেজে গিয়ে নির্দেশনা অনুযায়ী তথ্য পূরণ করতে হবে।
স্বর্ণ (জুয়েলারী) লাইসেন্সের সরকারি myGov সেবা পেজ
স্বর্ণের দোকানের লাইসেন্স করতে কী কী কাগজপত্র লাগে?
আবেদন করার আগে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র স্ক্যান বা নির্ধারিত ফরম্যাটে প্রস্তুত রাখা সুবিধাজনক। myGov-এর সংশ্লিষ্ট সেবা তথ্য অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নথির মধ্যে রয়েছে:
- আবেদনকারীর ছবি
- জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি
- হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স
- বিগত অর্থবছরের আয়কর প্রত্যয়নপত্র
- দোকানের মালিকানা-সংক্রান্ত কাগজপত্র
- লাইসেন্স ফি প্রদানের এ-চালান কপি
- ভ্যাট ফি প্রদানের এ-চালান কপি
- উৎসে কর প্রদানের এ-চালান কপি
প্রতিটি নথির তথ্য যেন আবেদনকারীর অন্যান্য কাগজপত্রের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে। নাম, ঠিকানা বা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্যে অসঙ্গতি থাকলে আবেদন প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত যাচাইয়ের প্রয়োজন হতে পারে।
স্বর্ণের দোকানের লাইসেন্স করতে কত টাকা লাগে?
myGov-এর সংশ্লিষ্ট সেবা তথ্যে লাইসেন্স ফি, ভ্যাট এবং উৎসে করের পৃথক পরিমাণ উল্লেখ রয়েছে। প্রদর্শিত হিসাব অনুযায়ী:
| খরচের ধরন | পরিমাণ |
|---|---|
| লাইসেন্স ফি | ৫,০০০ টাকা |
| ভ্যাট ১৫% | ৭৫০ টাকা |
| উৎসে কর ১০% | ৫০০ টাকা |
| মোট | ৬,২৫০ টাকা |
অর্থাৎ, সংশ্লিষ্ট myGov সেবার বর্তমান প্রদর্শিত তথ্য অনুযায়ী লাইসেন্স-সংক্রান্ত এই তিনটি খাতে মোট ৬,২৫০ টাকা দেখানো হয়েছে। তবে আপনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য অন্যান্য ব্যবসায়িক খরচ, যেমন ট্রেড লাইসেন্স বা অন্যান্য সরকারি ফি আলাদা হতে পারে।
লাইসেন্স ফি কীভাবে দিতে হয়?
সেবার তথ্য অনুযায়ী লাইসেন্স ফি প্রদানের জন্য এ-চালান ব্যবহার করতে হয়। একইভাবে ভ্যাট এবং উৎসে করের জন্যও সংশ্লিষ্ট এ-চালান কপি প্রয়োজন হতে পারে।
তাই আবেদন শুরু করার আগে কোন খাতে কত টাকা এবং কোন কোডে অর্থ জমা দিতে হবে—সেটি সংশ্লিষ্ট সরকারি নির্দেশনা থেকে ভালোভাবে দেখে নেওয়া উচিত।
myGov-এর সেবা তথ্যে লাইসেন্স ফি-এর জন্য 1422199 – অন্যান্য লাইসেন্স ফি কোড উল্লেখ করা হয়েছে। তবে পেমেন্ট করার সময় প্রদর্শিত সর্বশেষ সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করাই নিরাপদ।
অনলাইনে স্বর্ণের দোকানের লাইসেন্সের আবেদন করার নিয়ম
ধাপ ১: myGov ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন
প্রথমে myGov-এর ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে সংশ্লিষ্ট সেবাটি খুঁজে নিন। সরাসরি সেবা পেজ থেকেও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেখা যায়।
ধাপ ২: myGov অ্যাকাউন্টে লগইন করুন
অনলাইনে আবেদন করার জন্য প্রয়োজনীয় অ্যাকাউন্টে লগইন করুন। অ্যাকাউন্ট না থাকলে myGov-এর নির্দেশনা অনুযায়ী নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে।
যদি অ্যাকাউন্ট না থাকে, তাহলে আমি নিচে ছবি দিয়ে যেভাবে যেভাবে দেখাচ্ছি সেভাবে কাজ করুন এবং নতুন একাউন্ট তৈরি করুন।
প্রথমেই নিচের ছবির মতো লগইন অপশনে যান। নিচের দেওয়া লিংকে থেকে

তারপরে নিচের মতো একটি নিবন্ধন ফর্ম আসবে সেখানে আমার দেখানোর মতো করে সব ইনফরমেশন দিন

এরপরে সাবমিট করুন। সঠিক ভাবে সাবমিট হলে আপনার মোবাইল এ একটি ওটিপি কোড আসবে, পরের ধাপে সেটি বসিয়ে দিন

OTP দিয়ে সাবমিট করলে,পাসওয়ার্ড সেটাপ অপশন আসবে সেখানে পাসওয়ার্ড দিয়ে সাবমিট করুন। তাহলেই আপনার নিবন্ধন সম্পূর্ন। এবার লগিন করে প্রোফাইল আপডেট করে নিন।
ধাপ ৩: স্বর্ণ বা জুয়েলারি লাইসেন্সের সেবা নির্বাচন করুন
সেবার তালিকা থেকে “স্বর্ণ (জুয়েলারী) লাইসেন্স প্রাপ্তির আবেদন” নির্বাচন করুন। এরপর সেবা সম্পর্কিত নির্দেশনা ভালোভাবে পড়ে আবেদন শুরু করুন।
ধাপ ৪: আবেদনকারীর তথ্য দিন
আবেদন ফরমে প্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক তথ্য নির্ভুলভাবে লিখুন। বিশেষ করে নাম, জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য, যোগাযোগের তথ্য এবং ব্যবসা-সংক্রান্ত তথ্য দেওয়ার সময় কাগজপত্র দেখে তথ্য পূরণ করা ভালো।
ধাপ ৫: প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করুন
নির্দেশনা অনুযায়ী ছবি, NID, ট্রেড লাইসেন্স, আয়কর প্রত্যয়নপত্র, দোকানের মালিকানা-সংক্রান্ত কাগজপত্র এবং প্রয়োজনীয় এ-চালানের কপি আপলোড করুন।
ফাইল আপলোড করার আগে ছবির মান পরিষ্কার কি না এবং নথির সব লেখা পড়া যাচ্ছে কি না দেখে নিন।
ধাপ ৬: আবেদনটি যাচাই করুন
ফরম পূরণ করার পর সরাসরি জমা না দিয়ে একবার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তথ্য যাচাই করুন। বানান, মোবাইল নম্বর, ঠিকানা, NID নম্বর এবং ব্যবসা-সংক্রান্ত তথ্য বিশেষভাবে মিলিয়ে দেখা উচিত।
ধাপ ৭: আবেদন দপ্তরে দাখিল করুন
এখানে একটি বিষয় বিশেষভাবে মনে রাখা দরকার। শুধু আবেদন Save/সংরক্ষণ করলেই আবেদন সম্পূর্ণভাবে জমা হয়েছে—এমনটি ধরে নেওয়া ঠিক নয়। myGov-এর নির্দেশনা অনুযায়ী চূড়ান্তভাবে “আবেদন দপ্তরে দাখিল করুন” অপশনে ক্লিক করতে হবে।
আবেদন সফলভাবে জমা হলে আবেদন নম্বর ও ট্র্যাকিং নম্বর পাওয়া যাবে। পরবর্তীতে এগুলো ব্যবহার করে আবেদনের অগ্রগতি অনুসরণ করা যায়।
আবেদন জমা দেওয়ার পর কী করবেন?
আবেদন জমা দেওয়ার পর পাওয়া আবেদন নম্বর ও ট্র্যাকিং নম্বর সংরক্ষণ করুন। প্রয়োজনে স্ক্রিনশট বা আবেদন সংক্রান্ত তথ্য নিজের কাছে রেখে দিতে পারেন।
myGov-এর ড্যাশবোর্ডে আবেদন সংক্রান্ত তথ্য দেখা যেতে পারে এবং নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে SMS-এর মাধ্যমেও তথ্য পাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।
স্বর্ণের দোকানের লাইসেন্স পেতে কতদিন সময় লাগে?
সংশ্লিষ্ট myGov সেবা পেজে সেবা প্রদানের নির্ধারিত সময় ৩০ কর্মদিবস উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে বাস্তবে আবেদন যাচাই, কাগজপত্রের সঠিকতা এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কার্যক্রমের ওপর প্রক্রিয়ার সময় নির্ভর করতে পারে। তাই নির্ধারিত সময় পার হলে আবেদনের ট্র্যাকিং তথ্য দেখে পরবর্তী করণীয় জেনে নেওয়া ভালো।
জন্ম নিবন্ধন বাংলা থেকে ইংরেজি করার নিয়ম ২০২৬ | অনলাইন আবেদন গাইড
আবেদন করার সময় যে ভুলগুলো এড়িয়ে চলবেন
স্বর্ণের দোকানের লাইসেন্সের আবেদন করার সময় কিছু সাধারণ ভুলের কারণে প্রক্রিয়াটি জটিল হতে পারে। যেমন:
- ভুল বা অসম্পূর্ণ ব্যক্তিগত তথ্য দেওয়া
- NID-এর তথ্যের সঙ্গে আবেদন ফরমের তথ্য না মেলা
- মেয়াদোত্তীর্ণ ট্রেড লাইসেন্স ব্যবহার করা
- অস্পষ্ট বা পড়া যায় না এমন কাগজপত্র আপলোড করা
- প্রয়োজনীয় এ-চালান কপি সংযুক্ত না করা
- আবেদন Save করে চূড়ান্তভাবে দাখিল না করা
- আবেদন নম্বর বা ট্র্যাকিং নম্বর সংরক্ষণ না করা
স্বর্ণের দোকানের লাইসেন্সের পাশাপাশি আর কী কী বিষয় মাথায় রাখবেন?
স্বর্ণের ব্যবসা পরিচালনা শুধু একটি লাইসেন্সের ওপর নির্ভর করে না। ব্যবসার ধরন, প্রতিষ্ঠান ও অবস্থান অনুযায়ী ট্রেড লাইসেন্স, আয়কর, ভ্যাট এবং অন্যান্য প্রযোজ্য সরকারি নিয়ম মানতে হতে পারে।
এ কারণে নতুন ব্যবসা শুরু করার আগে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া ভালো। বিশেষ করে কর ও লাইসেন্স-সংক্রান্ত তথ্য সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হতে পারে।
স্বর্ণের দোকানের লাইসেন্স নিয়ে সাধারণ প্রশ্ন
স্বর্ণের দোকানের লাইসেন্স কি অনলাইনে আবেদন করা যায়?
হ্যাঁ। সংশ্লিষ্ট সরকারি সেবা myGov প্ল্যাটফর্মে অনলাইন আবেদনের ব্যবস্থা রয়েছে। তবে আবেদন করার সময় myGov-এর বর্তমান নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
স্বর্ণের দোকানের লাইসেন্সের জন্য NID প্রয়োজন কি?
হ্যাঁ। সংশ্লিষ্ট myGov সেবা তথ্যের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের তালিকায় জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি উল্লেখ রয়েছে।
ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া আবেদন করা যাবে?
সংশ্লিষ্ট সেবার প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের তালিকায় হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স রয়েছে। তাই আবেদন করার আগে বৈধ ও হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স প্রস্তুত রাখা প্রয়োজন।
স্বর্ণের লাইসেন্সের ফি কত?
myGov-এর প্রদর্শিত তথ্য অনুযায়ী লাইসেন্স ফি ৫,০০০ টাকা। এর সঙ্গে ১৫% ভ্যাট ৭৫০ টাকা এবং ১০% উৎসে কর ৫০০ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে। এই তিনটি খাত মিলিয়ে মোট ৬,২৫০ টাকা।
আবেদন জমা দেওয়ার পর ট্র্যাকিং করা যায়?
হ্যাঁ। আবেদন জমা দেওয়ার পর পাওয়া আবেদন নম্বর ও ট্র্যাকিং নম্বর সংরক্ষণ করে আবেদনের অগ্রগতি অনুসরণ করা যায়।
স্বর্ণের লাইসেন্স পেতে কতদিন লাগে?
সংশ্লিষ্ট myGov সেবা পেজে নির্ধারিত সেবা সময় ৩০ কর্মদিবস উল্লেখ করা হয়েছে।
শেষ কথা
স্বর্ণের দোকানের লাইসেন্স ২০২৬ নিয়ে যারা নতুন করে ব্যবসা শুরু করার পরিকল্পনা করছেন, তাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আবেদন করার আগে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও সরকারি ফি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা নেওয়া। শুধু ফরম পূরণ করলেই হবে না; তথ্য সঠিকভাবে দেওয়া, প্রয়োজনীয় নথি সংযুক্ত করা এবং আবেদনটি চূড়ান্তভাবে দাখিল করাও গুরুত্বপূর্ণ।
বর্তমান myGov তথ্য অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট জুয়েলারি লাইসেন্সের জন্য ৫,০০০ টাকা লাইসেন্স ফি, ৭৫০ টাকা ভ্যাট এবং ৫০০ টাকা উৎসে কর উল্লেখ রয়েছে। তবে সরকারি ফি বা নিয়ম পরিবর্তিত হতে পারে। তাই আবেদন করার সময় অবশ্যই সংশ্লিষ্ট সরকারি সেবা পেজে সর্বশেষ তথ্য যাচাই করুন।
সরকারি সেবার তথ্য দেখতে নিচের লিংকে যেতে পারেন:
myGov – স্বর্ণ (জুয়েলারী) লাইসেন্স প্রাপ্তির আবেদন
Disclaimer
এই লেখাটি সাধারণ তথ্য ও শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে। এখানে দেওয়া ফি, সময়সীমা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও আবেদন পদ্ধতি সংশ্লিষ্ট সরকারি সেবা পেজের প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। সরকারি নিয়ম, ফি, করের হার বা আবেদন পদ্ধতি পরিবর্তিত হলে এই তথ্যের কোনো অংশ পরিবর্তন হতে পারে। তাই কোনো অর্থ প্রদান বা আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট সরকারি ওয়েবসাইটে সর্বশেষ তথ্য যাচাই করুন। এই পোস্ট কোনো সরকারি দপ্তরের অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তি বা অনুমোদনের বিকল্প নয়।
Editorial Information
Primary Source: Bangladesh National Government Service Portal (myGov)
Reviewed For: Online application process, required documents, fees and service timeline
Last Updated: ২২ আগস্ট ২০২৬